― Advertisement ―

spot_img

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন’ ব্যাখ্যা কর।

ভূমিকা : ‘স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন' বলতে ১৯৩৫ সালের পাসকৃত ভারত শাসন আইনকে বুঝায়। ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের দাবি পূরণের বিভিন্ন আইন পাস করে ভারতীয়দের মন...
Homeঔপনিবেশিক শাসক১৮৯২ সালে কাউন্সিল আইনের ধারাসমূহ উল্লেখ কর।

১৮৯২ সালে কাউন্সিল আইনের ধারাসমূহ উল্লেখ কর।

ভূমিকা : ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের দ্বারা জাতীয়দের দাবিদাওয়ার একটা বিশেষ দিক বাস্তবায়নের অগ্রগতি সাধন হয়। ভারতীয় উপমহাদেশের শাসনতান্ত্রিক ক্রমবিকাশের ধারায় ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিশেষভাবে চিহ্নিত হয়ে আছে ।

→ ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ ভারতীয়দের নানা দাবিদাওয়ার প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ১৮৯২ সালে ভারত কাউন্সিল আইন প্রবর্তিত হয়। এ আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরা হলো :

১. ১৮৯২ সালের আইনে আইন পরিষদগুলোতে সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন নীতি গৃহীত হয়।

২. ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনে কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইন পরিষদে কমপক্ষে ১০ জন আর সর্বোচ্চ ১৬ জন সদস্য অন্তর্ভুক্তি করার ব্যবস্থা গৃহীত হয় ৷

৩. এ আইনে প্রাদেশিক আইন পরিষদগুলোতে বেসরকারি সদস্যরা কতিপয় স্থানীয় সংস্থা যেমন- বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট, জেলা বোর্ড, লোকাল বোর্ড প্রভৃতির সুপারিশক্রমে গভর্নর জেনারেল কর্তৃক মনোনীত হবে বলে স্থির করা হয় ।

৪. এ আইনের মাধ্যমে জনস্বার্থ সংক্রান্ত ব্যাপারে পরিষদগুলোকে শাসন বিভাগকে কিছু প্রশ্ন করার অধিকার লাভ করে ।

৫. ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের বেসরকারি সদস্যরা ‘বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স’-এর সুপারিশক্রমে গভর্নর জেনারেল কর্তৃক মনোনীত হবে বলে স্থির হয় ।

তাছাড়া ১৮৯২ সালের আইনে আইন পরিষদগুলো সরকারি আয়-ব্যয় সম্পর্কিত হিসাব নিকাশ সম্বন্ধে আলোচনা, সমালোচনা ও পর্যালোচনা করার অধিকার লাভ করে ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের দ্বারা ভারতীয়রা যতটুকু অধিকার লাভ করে তার উপর ভিত্তি করেই অধিকতর দাবিদাওয়া ও অধিকার আদায়ে সজাগ হয়ে উঠে। তবে এ আইনে বেশ কিছু ত্রুটি আছে তথাপি এ আইন ভারতীয়দের দাবিদাওয়া ও আশা পূরণে সতর্ক করে তুলেছিল