― Advertisement ―

spot_img

১৯৪৭ সালে ভারত কেন বিভক্ত হয়েছিল? এই বিভক্তি কি অপরিহার্য ছিল?

অথবা, ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির প্রেক্ষাপট আলোচনা কর। ভূমিকা : পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো শাসনই চিরস্থায়ী নয়। যার শুরু আছে তার শেষও আছে। তবে কারো কারো...
Homeদক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসলক্ষ্ণৌ চুক্তি কী?

লক্ষ্ণৌ চুক্তি কী?

ভূমিকা : ভারত উপমহাদেশের সাংবিধানিক সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু মুসলমানদেরকে ক্ষুব্ধ করে গেলে। অগ্রগতির ক্ষেত্রে ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি এক গুরুত্বপূর্ণ – পদক্ষেপ। ১৯১৬ সালে বোম্বাই অধিবেশনে সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিই লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত।

→ লক্ষ্মৌ প্যাক্ট/লক্ষ্মৌ চুক্তি : প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা থাকলেও ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থ হয়। এ সময় ভারতে রাজনৈতিক চেতনার বৃদ্ধি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও দায়িত্বশীল সরকারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ১৯১১ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ, ১৯১৪ সালে বলকান যুদ্ধে তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের মনোভাব ভারতীয় মুসলমানদেরকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। অপরদিকে স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করে।

অপরদিকে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করে । ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু মুসলমানদের অসন্তোষ এ দুটি সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করে। এ প্রেক্ষিতে ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌতে জাতীয় কংগ্রেস ও নিখিল ভারত মুসলিম লীগ যৌথভাবে এক সভায় মিলিত হয় এবং চুক্তি স্বাক্ষর করে, ঘা লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত। এ চুক্তি সম্পাদনে সর্বভারতীয় মুসলি লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা ছিল অনন্য।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, মুসলমানদের ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি ছিল হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক প্রতিষ্ঠর ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী পদক্ষেপ। এর ফলেই মুসলমানদের পৃথক নির্বাচন ও হিন্দু মুসলিম সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ।