― Advertisement ―

spot_img

১৯৪৭ সালে ভারত কেন বিভক্ত হয়েছিল? এই বিভক্তি কি অপরিহার্য ছিল?

অথবা, ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির প্রেক্ষাপট আলোচনা কর। ভূমিকা : পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো শাসনই চিরস্থায়ী নয়। যার শুরু আছে তার শেষও আছে। তবে কারো কারো...
Homeদক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসজিন্নাহর চৌদ্দ দফা উল্লেখ কর ।

জিন্নাহর চৌদ্দ দফা উল্লেখ কর ।

ভূমিকা : মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার রাজনৈতিক

জীবনে মুসলমানদের অধিকার ও তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে কাজ করেন। তিনি নেহেরু রিপোর্টের বিরোধিতা করে ১৯২৯ সালে মুসলমানদের দাবিদাওয়া সংবলিত চৌদ্দ দফা দাবি পেশ করেন। এটিই চৌদ্দ দফা নামে পরিচিত ।

→ জিন্নাহর চৌদ্দ দফা : ভারতে প্রস্তাবিত নেহেরু রিপোর্ট যখন মুসলমানদের অধিকার ও দাবিদাওয়া পূরণ করতে ব্যর্থ হয় তখন জিন্নাহর চৌদ্দ দফার আগমন হয়। যখন সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদ নিয়ে গড়ে উঠা দল কংগ্রেস মুসলমানদের দাবিদাওয়াকে পাশ কাটিয়ে চলত। এর ফলে মুসলমানদের ন্যায্য দাবিদাওয়া পূরণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা হয়। মুসলমানরা বুঝতে পারে কংগ্রেস কোনোদিনও তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে কথা বলবে না। মুসলমানরা নিজেদের সংগঠন তৈরি করে নিজেরাই দাবিদাওয়া পূরণে সচেষ্ট হয় । নেহেরু রিপোর্টে মুসলমানদের দাবি উপেক্ষিত হলে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ একটি সর্বদলীয় মুসলিম সম্মেলন আহ্বান করেন। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, আগখান, ড. আনসারী প্রমুখ বিভিন্ন মুসলিম দলের প্রতিনিধিদের সাথে একটি জরুরি মিটিং হয়। সকলে মিলে একটি সর্বজনবিদিত ফরমুলা

তৈরি করেন। সকল নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে মুসলমানদের দাবিদাওয়ার পক্ষে চৌদ্দ দফা প্রণয়ন হয় যা ইতিহাসে জিন্নাহর চৌদ্দ দফা নামে পরিচিত।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, কংগ্রেস নেহেরু রিপোর্টের পূর্ণ সমর্থন দিয়ে আবারও ভারতের মুসলমানদের দাবি পূরণে সচেষ্ট হয়। অন্যদিকে মুসলমানরা নেহেরু রিপোর্টকে পরিত্যাগ করে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলমানদের দাবির প্রেক্ষিতে তার চৌদ্দ দফা দাবি প্রণয়ন করে ।